, সোমবার, ০১ জুন ২০২৬, ১৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নওগাঁর পোরশা উপজেলার মানবতার বাতিঘর শত বছরের মোসাফির খানা তিঘর

  • প্রকাশের সময় : ৩ ঘন্টা আগে
  • ২৩ পড়া হয়েছে

নওগাঁ জেলার পোরশা উপজেলার মানবতার বাতিঘর—শত বছরের মোসাফির খানা।

নওগাঁ জেলা প্রতিনিধি।

কালের সাক্ষী হয়ে আজও মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে একটি ঐতিহাসিক স্থাপনা। নওগাঁর পোরশা উপজেলার মিনা বাজারে অবস্থিত এই মোসাফির খানা শুধু একটি ভবন নয়, এটি মানবতা, সহমর্মিতা ও অতিথিপরায়ণতার এক উজ্জ্বল প্রতীক।

১৯০৮ সালে, যখন আধুনিকতার ছোঁয়া ছিল সীমিত, তখন দূরদর্শী ও মানবদরদী জমিদার খাদেম মোহাম্মদ শাহ পথচলতি মানুষের কষ্ট অনুভব করে প্রতিষ্ঠা করেন এই আশ্রয়কেন্দ্র। দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে আসা ক্লান্ত পথিকেরা এখানে বিশ্রাম নিতেন, পান করতেন সুপেয় পানি, আর খুঁজে পেতেন নিরাপদ আশ্রয়।

মাটির ঘর থেকে শুরু হওয়া সেই মহৎ উদ্যোগ আজ ১১৮ বছরের ইতিহাস বুকে ধারণ করে দাঁড়িয়ে আছে। সময় বদলেছে, পাল্টেছে মানুষের জীবনযাত্রা, কিন্তু মানবসেবার এই নিদর্শন এখনো বহন করে চলেছে অতীতের গৌরবগাঁথা।

‘মোসাফির খানা’ কেবল একটি স্থাপনা নয়; এটি মানুষের প্রতি ভালোবাসা, দয়া ও সমাজসেবার এক জীবন্ত স্মারক। শত বছরেরও বেশি সময় ধরে অসংখ্য পথিকের ক্লান্তি দূর করা এই স্থান আজও ইতিহাসপ্রেমী মানুষকে স্মরণ করিয়ে দেয়—মানবতার চেয়ে বড় পরিচয় আর কিছু হতে পারে না।

মানবতার এই বাতিঘর আগামী প্রজন্মের কাছেও হয়ে থাকুক অনুপ্রেরণার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। ❤️🏛️

নওগাঁর পোরশা উপজেলার মানবতার বাতিঘর শত বছরের মোসাফির খানা তিঘর

প্রকাশের সময় : ৩ ঘন্টা আগে

নওগাঁ জেলার পোরশা উপজেলার মানবতার বাতিঘর—শত বছরের মোসাফির খানা।

নওগাঁ জেলা প্রতিনিধি।

কালের সাক্ষী হয়ে আজও মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে একটি ঐতিহাসিক স্থাপনা। নওগাঁর পোরশা উপজেলার মিনা বাজারে অবস্থিত এই মোসাফির খানা শুধু একটি ভবন নয়, এটি মানবতা, সহমর্মিতা ও অতিথিপরায়ণতার এক উজ্জ্বল প্রতীক।

১৯০৮ সালে, যখন আধুনিকতার ছোঁয়া ছিল সীমিত, তখন দূরদর্শী ও মানবদরদী জমিদার খাদেম মোহাম্মদ শাহ পথচলতি মানুষের কষ্ট অনুভব করে প্রতিষ্ঠা করেন এই আশ্রয়কেন্দ্র। দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে আসা ক্লান্ত পথিকেরা এখানে বিশ্রাম নিতেন, পান করতেন সুপেয় পানি, আর খুঁজে পেতেন নিরাপদ আশ্রয়।

মাটির ঘর থেকে শুরু হওয়া সেই মহৎ উদ্যোগ আজ ১১৮ বছরের ইতিহাস বুকে ধারণ করে দাঁড়িয়ে আছে। সময় বদলেছে, পাল্টেছে মানুষের জীবনযাত্রা, কিন্তু মানবসেবার এই নিদর্শন এখনো বহন করে চলেছে অতীতের গৌরবগাঁথা।

‘মোসাফির খানা’ কেবল একটি স্থাপনা নয়; এটি মানুষের প্রতি ভালোবাসা, দয়া ও সমাজসেবার এক জীবন্ত স্মারক। শত বছরেরও বেশি সময় ধরে অসংখ্য পথিকের ক্লান্তি দূর করা এই স্থান আজও ইতিহাসপ্রেমী মানুষকে স্মরণ করিয়ে দেয়—মানবতার চেয়ে বড় পরিচয় আর কিছু হতে পারে না।

মানবতার এই বাতিঘর আগামী প্রজন্মের কাছেও হয়ে থাকুক অনুপ্রেরণার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। ❤️🏛️