, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬, ৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ঋণখেলাপী ও এমপিওভুক্ত শিক্ষকেরা স্হানীয় সরকার নির্বাচনে অংশগ্রহন করতে পারবেনা। ইসি : আখতার আহমেদ সাপাহারে দূর্নীতি বিরোধী বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত। নিয়ামতপুরে গরুবোঝায় ভটভটি উল্টে নিহত ১, আহত ৫ নওগাঁয় ১৬ হাজারের বেশি ফেনসিডিল ধ্বংস, মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর হুশিয়ারি। নওগাঁর সাপাহারে প্রদর্শনী মৎস্য চাষীদের মাঝে মাছের খাবার ও চারা বিতরন ইসিতে আয় ব্যয়ের হিসাব জমা দিলো বিএনপি সাপাহারে জমকালো ফাইনাল ফুটবল টূর্ণামেন্ট অনুষ্ঠিত পোরশায় ঘুমন্ত অবস্থায় সাপের কামড়ে প্রাণ গেল তরুণের। পোরশায় বিএনপি নেতা মাইদুর খুনের মামলার আসামীদের চার্জশিট থেকে বাদ দেওয়ার প্রতিবাদে বিক্ষোভ। সাপাহারে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মাহমুদুল হাসানের উঠান বৈঠক ও সৌজন্য সাক্ষাৎ।

নওগাঁয় ১৬ হাজারের বেশি ফেনসিডিল ধ্বংস, মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর হুশিয়ারি।

নওগাঁয় ১৬ হাজারের বেশি ফেনসিডিল ধ্বংস, মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর হুশিয়ারি।

 

বিশেষ প্রতিনিধি : নওগাঁ।

 

নওগাঁ জেলা পুলিশের বিভিন্ন সময়ে পরিচালিত মাদকবিরোধী অভিযানে জব্দকৃত ১৬ হাজারের অধিক বোতল ভারতীয় ফেনসিডিল আদালতের নির্দেশে ধ্বংস করা হয়েছে। সোমবার দুপুরে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের পাশে নির্ধারিত খোলা স্থানে জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, পুলিশ কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরের প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে এসব মাদকদ্রব্য ধ্বংস করা হয়।

এ সময় জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, কোর্ট ইন্সপেক্টর, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের সদস্য, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

জেলা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, জেলার বিভিন্ন থানায় পরিচালিত মাদকবিরোধী অভিযানে জব্দ হওয়া এসব ফেনসিডিল দীর্ঘদিন ধরে আদালতের নির্দেশনার অপেক্ষায় সংরক্ষিত ছিল। প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর আদালতের নির্দেশে সেগুলো ধ্বংস করা হয়।

এ বিষয়ে নওগাঁর পুলিশ সুপার বলেন, “মাদকের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ পুলিশের অবস্থান জিরো টলারেন্স। মাদক সমাজ, পরিবার ও তরুণ প্রজন্মকে ধ্বংস করে দেয়। মাদককে কোনোভাবেই ‘না’ বলার বিকল্প নেই। যারা মাদক ব্যবসা, পরিবহন বা সেবনের সঙ্গে জড়িত, তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা অব্যাহত থাকবে। নওগাঁ জেলাকে মাদকমুক্ত রাখতে জেলা পুলিশ সর্বোচ্চ আন্তরিকতা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে কাজ করছে।”

তিনি আরও বলেন, “মাদক কখনো কোনো সমস্যার সমাধান নয়। মাদকের কোনো ইতিবাচক দিক নেই; এটি ব্যক্তি, পরিবার ও সমাজের জন্য ক্ষতিকর। তাই সচেতন নাগরিকদের মাদক থেকে দূরে থাকা এবং মাদকসংক্রান্ত তথ্য পুলিশকে দিয়ে সহযোগিতা করার আহ্বান জানাচ্ছি।”

জেলা পুলিশের এ উদ্যোগকে মাদকের বিরুদ্ধে চলমান অভিযানের অংশ হিসেবে দেখছেন সচেতন মহল। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, মাদকদ্রব্য ধ্বংসের এ কার্যক্রম মাদক কারবারিদের জন্য কঠোর বার্তা এবং সমাজে মাদকবিরোধী সচেতনতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

জনপ্রিয়

ঋণখেলাপী ও এমপিওভুক্ত শিক্ষকেরা স্হানীয় সরকার নির্বাচনে অংশগ্রহন করতে পারবেনা। ইসি : আখতার আহমেদ

নওগাঁয় ১৬ হাজারের বেশি ফেনসিডিল ধ্বংস, মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর হুশিয়ারি।

প্রকাশের সময় : ০৬:২২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬

নওগাঁয় ১৬ হাজারের বেশি ফেনসিডিল ধ্বংস, মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর হুশিয়ারি।

 

বিশেষ প্রতিনিধি : নওগাঁ।

 

নওগাঁ জেলা পুলিশের বিভিন্ন সময়ে পরিচালিত মাদকবিরোধী অভিযানে জব্দকৃত ১৬ হাজারের অধিক বোতল ভারতীয় ফেনসিডিল আদালতের নির্দেশে ধ্বংস করা হয়েছে। সোমবার দুপুরে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের পাশে নির্ধারিত খোলা স্থানে জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, পুলিশ কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরের প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে এসব মাদকদ্রব্য ধ্বংস করা হয়।

এ সময় জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, কোর্ট ইন্সপেক্টর, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের সদস্য, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

জেলা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, জেলার বিভিন্ন থানায় পরিচালিত মাদকবিরোধী অভিযানে জব্দ হওয়া এসব ফেনসিডিল দীর্ঘদিন ধরে আদালতের নির্দেশনার অপেক্ষায় সংরক্ষিত ছিল। প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর আদালতের নির্দেশে সেগুলো ধ্বংস করা হয়।

এ বিষয়ে নওগাঁর পুলিশ সুপার বলেন, “মাদকের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ পুলিশের অবস্থান জিরো টলারেন্স। মাদক সমাজ, পরিবার ও তরুণ প্রজন্মকে ধ্বংস করে দেয়। মাদককে কোনোভাবেই ‘না’ বলার বিকল্প নেই। যারা মাদক ব্যবসা, পরিবহন বা সেবনের সঙ্গে জড়িত, তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা অব্যাহত থাকবে। নওগাঁ জেলাকে মাদকমুক্ত রাখতে জেলা পুলিশ সর্বোচ্চ আন্তরিকতা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে কাজ করছে।”

তিনি আরও বলেন, “মাদক কখনো কোনো সমস্যার সমাধান নয়। মাদকের কোনো ইতিবাচক দিক নেই; এটি ব্যক্তি, পরিবার ও সমাজের জন্য ক্ষতিকর। তাই সচেতন নাগরিকদের মাদক থেকে দূরে থাকা এবং মাদকসংক্রান্ত তথ্য পুলিশকে দিয়ে সহযোগিতা করার আহ্বান জানাচ্ছি।”

জেলা পুলিশের এ উদ্যোগকে মাদকের বিরুদ্ধে চলমান অভিযানের অংশ হিসেবে দেখছেন সচেতন মহল। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, মাদকদ্রব্য ধ্বংসের এ কার্যক্রম মাদক কারবারিদের জন্য কঠোর বার্তা এবং সমাজে মাদকবিরোধী সচেতনতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।