, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬, ৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ঋণখেলাপী ও এমপিওভুক্ত শিক্ষকেরা স্হানীয় সরকার নির্বাচনে অংশগ্রহন করতে পারবেনা। ইসি : আখতার আহমেদ সাপাহারে দূর্নীতি বিরোধী বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত। নিয়ামতপুরে গরুবোঝায় ভটভটি উল্টে নিহত ১, আহত ৫ নওগাঁয় ১৬ হাজারের বেশি ফেনসিডিল ধ্বংস, মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর হুশিয়ারি। নওগাঁর সাপাহারে প্রদর্শনী মৎস্য চাষীদের মাঝে মাছের খাবার ও চারা বিতরন ইসিতে আয় ব্যয়ের হিসাব জমা দিলো বিএনপি সাপাহারে জমকালো ফাইনাল ফুটবল টূর্ণামেন্ট অনুষ্ঠিত পোরশায় ঘুমন্ত অবস্থায় সাপের কামড়ে প্রাণ গেল তরুণের। পোরশায় বিএনপি নেতা মাইদুর খুনের মামলার আসামীদের চার্জশিট থেকে বাদ দেওয়ার প্রতিবাদে বিক্ষোভ। সাপাহারে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মাহমুদুল হাসানের উঠান বৈঠক ও সৌজন্য সাক্ষাৎ।

নওগাঁয় স্বামী – সন্তানের স্বীকৃতি ও ভরনপোষণের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন,প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় বিয়ের অভিযোগ।

  • প্রকাশের সময় : ১০:২৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৪ জুলাই ২০২৬
  • ৫২ পড়া হয়েছে

নওগাঁয় স্বামী-সন্তানের স্বীকৃতি ও ভরণপোষণের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন, প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় বিয়ের অভিযোগ

 

 

নওগাঁর বদলগাছীতে স্বামী ও কন্যাসন্তানের স্বীকৃতি এবং ভরণপোষণের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছেন মোছা. মুক্তা পারভীন নামে এক নারী। তিনি উপজেলার সদর ইউনিয়নের ভাতশাইল গ্রামের মৃত মতিন চৌধুরীর ছেলে ও রাজপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোস্তাক আহমেদ চৌধুরীর বিরুদ্ধে দ্বিতীয় বিয়ে করে পরে স্ত্রী ও সন্তানকে অস্বীকার এবং ভরণপোষণ বন্ধ করে দেওয়ার অভিযোগ তুলেছেন।

শুক্রবার (৩ জুলাই) সকাল সাড়ে ১১টায় বদলগাছীতে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে মুক্তা পারভীন জানান, ২০১৮ সালের জানুয়ারিতে মোস্তাক আহমেদ চৌধুরীর সঙ্গে তার পরিচয় হয়। পরে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে এবং একপর্যায়ে শারীরিক সম্পর্ক হয়। বিয়ের দাবি জানালে একই বছরের ৮ জুন ৪ হাজার ৯৯৯ টাকা দেনমোহরে তাদের কাবিন সম্পন্ন হয় বলে তিনি দাবি করেন। সে সময় মোস্তাক আহমেদের প্রথম স্ত্রী রেবেকা সুলতানার অনুমতি নেওয়া হয়নি বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

মুক্তা পারভীন আরও দাবি করেন, কাবিনের পর নওগাঁ শহরে ভাড়া বাসায় তারা স্বামী-স্ত্রী হিসেবে বসবাস শুরু করেন। তবে সংবাদ সম্মেলনে তিনি স্বীকার করেন, ২০১৮ সালে মোস্তাক আহমেদের সঙ্গে কাবিন সম্পন্ন হলেও সে সময় তিনি পূর্বের স্বামী কিবরিয়াকে তালাক দেননি। তার ভাষ্য অনুযায়ী, মোস্তাক আহমেদের পরামর্শেই তিনি দীর্ঘদিন পূর্বের স্বামীর সঙ্গে বৈবাহিক সম্পর্ক আইনগতভাবে বহাল থাকা অবস্থায় তার সঙ্গে দাম্পত্য জীবন কাটান। ওই সংসারে ২০২১ সালের ৩ আগস্ট তাদের কন্যাসন্তান কানিজ ফাতেমা মমের জন্ম হয়।
তিনি আরও জানান, চলতি বছরের ১২ জানুয়ারি তিনি পূর্বের স্বামীকে তালাক দেন। এরপর ৩০ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে ১০ লাখ টাকা দেনমোহরে মোস্তাক আহমেদের সঙ্গে পুনরায় কাবিন সম্পন্ন হয় বলে তিনি দাবি করেন।

সংবাদ সম্মেলনে মুক্তা পারভীন অভিযোগ করেন, কয়েক মাস ধরে মোস্তাক আহমেদ তার ও সন্তানের ভরণপোষণ বন্ধ করে দিয়েছেন এবং কোনো ধরনের যোগাযোগ রাখছেন না। এতে তিনি ও তার সন্তান চরম মানবিক সংকটে পড়েছেন।

তিনি বলেন, “আমি আমার স্বামী ও সন্তানের ন্যায্য স্বীকৃতি চাই। আমার মেয়ের ভবিষ্যৎ যেন অনিশ্চিত না হয়। যদি তিনি আমাদের অস্বীকার করেন, তাহলে আমার বেঁচে থাকার আর কোনো উপায় থাকবে না।”

জনপ্রিয়

ঋণখেলাপী ও এমপিওভুক্ত শিক্ষকেরা স্হানীয় সরকার নির্বাচনে অংশগ্রহন করতে পারবেনা। ইসি : আখতার আহমেদ

নওগাঁয় স্বামী – সন্তানের স্বীকৃতি ও ভরনপোষণের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন,প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় বিয়ের অভিযোগ।

প্রকাশের সময় : ১০:২৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৪ জুলাই ২০২৬

নওগাঁয় স্বামী-সন্তানের স্বীকৃতি ও ভরণপোষণের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন, প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় বিয়ের অভিযোগ

 

 

নওগাঁর বদলগাছীতে স্বামী ও কন্যাসন্তানের স্বীকৃতি এবং ভরণপোষণের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছেন মোছা. মুক্তা পারভীন নামে এক নারী। তিনি উপজেলার সদর ইউনিয়নের ভাতশাইল গ্রামের মৃত মতিন চৌধুরীর ছেলে ও রাজপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোস্তাক আহমেদ চৌধুরীর বিরুদ্ধে দ্বিতীয় বিয়ে করে পরে স্ত্রী ও সন্তানকে অস্বীকার এবং ভরণপোষণ বন্ধ করে দেওয়ার অভিযোগ তুলেছেন।

শুক্রবার (৩ জুলাই) সকাল সাড়ে ১১টায় বদলগাছীতে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে মুক্তা পারভীন জানান, ২০১৮ সালের জানুয়ারিতে মোস্তাক আহমেদ চৌধুরীর সঙ্গে তার পরিচয় হয়। পরে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে এবং একপর্যায়ে শারীরিক সম্পর্ক হয়। বিয়ের দাবি জানালে একই বছরের ৮ জুন ৪ হাজার ৯৯৯ টাকা দেনমোহরে তাদের কাবিন সম্পন্ন হয় বলে তিনি দাবি করেন। সে সময় মোস্তাক আহমেদের প্রথম স্ত্রী রেবেকা সুলতানার অনুমতি নেওয়া হয়নি বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

মুক্তা পারভীন আরও দাবি করেন, কাবিনের পর নওগাঁ শহরে ভাড়া বাসায় তারা স্বামী-স্ত্রী হিসেবে বসবাস শুরু করেন। তবে সংবাদ সম্মেলনে তিনি স্বীকার করেন, ২০১৮ সালে মোস্তাক আহমেদের সঙ্গে কাবিন সম্পন্ন হলেও সে সময় তিনি পূর্বের স্বামী কিবরিয়াকে তালাক দেননি। তার ভাষ্য অনুযায়ী, মোস্তাক আহমেদের পরামর্শেই তিনি দীর্ঘদিন পূর্বের স্বামীর সঙ্গে বৈবাহিক সম্পর্ক আইনগতভাবে বহাল থাকা অবস্থায় তার সঙ্গে দাম্পত্য জীবন কাটান। ওই সংসারে ২০২১ সালের ৩ আগস্ট তাদের কন্যাসন্তান কানিজ ফাতেমা মমের জন্ম হয়।
তিনি আরও জানান, চলতি বছরের ১২ জানুয়ারি তিনি পূর্বের স্বামীকে তালাক দেন। এরপর ৩০ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে ১০ লাখ টাকা দেনমোহরে মোস্তাক আহমেদের সঙ্গে পুনরায় কাবিন সম্পন্ন হয় বলে তিনি দাবি করেন।

সংবাদ সম্মেলনে মুক্তা পারভীন অভিযোগ করেন, কয়েক মাস ধরে মোস্তাক আহমেদ তার ও সন্তানের ভরণপোষণ বন্ধ করে দিয়েছেন এবং কোনো ধরনের যোগাযোগ রাখছেন না। এতে তিনি ও তার সন্তান চরম মানবিক সংকটে পড়েছেন।

তিনি বলেন, “আমি আমার স্বামী ও সন্তানের ন্যায্য স্বীকৃতি চাই। আমার মেয়ের ভবিষ্যৎ যেন অনিশ্চিত না হয়। যদি তিনি আমাদের অস্বীকার করেন, তাহলে আমার বেঁচে থাকার আর কোনো উপায় থাকবে না।”