, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ঋণখেলাপী ও এমপিওভুক্ত শিক্ষকেরা স্হানীয় সরকার নির্বাচনে অংশগ্রহন করতে পারবেনা। ইসি : আখতার আহমেদ সাপাহারে দূর্নীতি বিরোধী বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত। নিয়ামতপুরে গরুবোঝায় ভটভটি উল্টে নিহত ১, আহত ৫ নওগাঁয় ১৬ হাজারের বেশি ফেনসিডিল ধ্বংস, মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর হুশিয়ারি। নওগাঁর সাপাহারে প্রদর্শনী মৎস্য চাষীদের মাঝে মাছের খাবার ও চারা বিতরন ইসিতে আয় ব্যয়ের হিসাব জমা দিলো বিএনপি সাপাহারে জমকালো ফাইনাল ফুটবল টূর্ণামেন্ট অনুষ্ঠিত পোরশায় ঘুমন্ত অবস্থায় সাপের কামড়ে প্রাণ গেল তরুণের। পোরশায় বিএনপি নেতা মাইদুর খুনের মামলার আসামীদের চার্জশিট থেকে বাদ দেওয়ার প্রতিবাদে বিক্ষোভ। সাপাহারে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মাহমুদুল হাসানের উঠান বৈঠক ও সৌজন্য সাক্ষাৎ।

সাপাহারে রাস্তার পাশে পড়ে আছে পশুর চামড়া, জনদূর্ভোগে জনগন অতিষ্ঠ

  • প্রকাশের সময় : ০১:৩৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ জুন ২০২৬
  • ১২১ পড়া হয়েছে

সাপাহারে রাস্তার পাশে পড়ে আছে পশুর চামড়া, জনদুর্ভোগ

সাপাহার (নওগাঁ) প্রতিনিধি:

নওগাঁর সাপাহার উপজেলার একটি গ্রামীণ সড়কের পাশে বিপুল পরিমাণ কোরবানির পশুর চামড়া পড়ে থাকায় দুর্গন্ধ ছড়িয়ে জনদুর্ভোগের সৃষ্টি হয়েছে। দ্রুত চামড়াগুলো অপসারণ না করা হলে পরিবেশ দূষণ ও রোগবালাই ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।

বুধবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, উপজেলার সদর ইউনিয়নের পিছলীডাঙ্গা-সাহাবাজপুর গ্রামীণ পাকা সড়কের পাশে জামালের আমবাগানের সামনে প্রায় এক ট্রাক পরিমাণ গরু, ছাগল ও ভেড়ার চামড়া পড়ে রয়েছে। চামড়াগুলো পচতে শুরু করায় আশপাশের এলাকায় তীব্র দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পবিত্র ঈদুল আজহার দ্বিতীয় দিনের রাতে কে বা কারা বস্তাভর্তি এসব পশুর চামড়া সেখানে ফেলে রেখে যায়। পরদিন সকালে স্থানীয়রা বস্তাগুলোকে আমবাগানে ব্যবহৃত সারের বস্তা মনে করেন। পরে কুকুর ও শিয়াল বস্তা ছিঁড়ে ফেললে ভেতরে থাকা চামড়াগুলো বেরিয়ে আসে এবং কয়েকদিনের মধ্যে সেগুলো পচে দুর্গন্ধ ছড়াতে শুরু করে।

এলাকাবাসী জানান, সড়কটি গ্রামীণ হলেও এর মাধ্যমে প্রায় ২২টি গ্রামের মানুষ চলাচল করে। দুর্গন্ধের কারণে পথচারীদের ভোগান্তি বাড়ছে। পাশাপাশি আমবাগানে কাজ করা শ্রমিকরাও চরম দুর্ভোগে পড়েছেন। দ্রুত চামড়াগুলো অপসারণ না করা হলে পরিবেশের ক্ষতি হওয়ার পাশাপাশি বিভিন্ন রোগবালাই ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে বলে তারা মনে করেন।

স্থানীয়রা বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ইউনিয়ন পরিষদ ও উপজেলা প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

এ বিষয়ে সাপাহার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সাদেকুল ইসলাম বলেন, স্থানীয় ইউপি সদস্যের সঙ্গে কথা বলে খোঁজখবর নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা।

জনপ্রিয়

ঋণখেলাপী ও এমপিওভুক্ত শিক্ষকেরা স্হানীয় সরকার নির্বাচনে অংশগ্রহন করতে পারবেনা। ইসি : আখতার আহমেদ

সাপাহারে রাস্তার পাশে পড়ে আছে পশুর চামড়া, জনদূর্ভোগে জনগন অতিষ্ঠ

প্রকাশের সময় : ০১:৩৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ জুন ২০২৬

সাপাহারে রাস্তার পাশে পড়ে আছে পশুর চামড়া, জনদুর্ভোগ

সাপাহার (নওগাঁ) প্রতিনিধি:

নওগাঁর সাপাহার উপজেলার একটি গ্রামীণ সড়কের পাশে বিপুল পরিমাণ কোরবানির পশুর চামড়া পড়ে থাকায় দুর্গন্ধ ছড়িয়ে জনদুর্ভোগের সৃষ্টি হয়েছে। দ্রুত চামড়াগুলো অপসারণ না করা হলে পরিবেশ দূষণ ও রোগবালাই ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।

বুধবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, উপজেলার সদর ইউনিয়নের পিছলীডাঙ্গা-সাহাবাজপুর গ্রামীণ পাকা সড়কের পাশে জামালের আমবাগানের সামনে প্রায় এক ট্রাক পরিমাণ গরু, ছাগল ও ভেড়ার চামড়া পড়ে রয়েছে। চামড়াগুলো পচতে শুরু করায় আশপাশের এলাকায় তীব্র দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পবিত্র ঈদুল আজহার দ্বিতীয় দিনের রাতে কে বা কারা বস্তাভর্তি এসব পশুর চামড়া সেখানে ফেলে রেখে যায়। পরদিন সকালে স্থানীয়রা বস্তাগুলোকে আমবাগানে ব্যবহৃত সারের বস্তা মনে করেন। পরে কুকুর ও শিয়াল বস্তা ছিঁড়ে ফেললে ভেতরে থাকা চামড়াগুলো বেরিয়ে আসে এবং কয়েকদিনের মধ্যে সেগুলো পচে দুর্গন্ধ ছড়াতে শুরু করে।

এলাকাবাসী জানান, সড়কটি গ্রামীণ হলেও এর মাধ্যমে প্রায় ২২টি গ্রামের মানুষ চলাচল করে। দুর্গন্ধের কারণে পথচারীদের ভোগান্তি বাড়ছে। পাশাপাশি আমবাগানে কাজ করা শ্রমিকরাও চরম দুর্ভোগে পড়েছেন। দ্রুত চামড়াগুলো অপসারণ না করা হলে পরিবেশের ক্ষতি হওয়ার পাশাপাশি বিভিন্ন রোগবালাই ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে বলে তারা মনে করেন।

স্থানীয়রা বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ইউনিয়ন পরিষদ ও উপজেলা প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

এ বিষয়ে সাপাহার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সাদেকুল ইসলাম বলেন, স্থানীয় ইউপি সদস্যের সঙ্গে কথা বলে খোঁজখবর নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা।