, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬, ৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
নিয়ামতপুরে গরুবোঝায় ভটভটি উল্টে নিহত ১, আহত ৫ নওগাঁয় ১৬ হাজারের বেশি ফেনসিডিল ধ্বংস, মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর হুশিয়ারি। নওগাঁর সাপাহারে প্রদর্শনী মৎস্য চাষীদের মাঝে মাছের খাবার ও চারা বিতরন ইসিতে আয় ব্যয়ের হিসাব জমা দিলো বিএনপি সাপাহারে জমকালো ফাইনাল ফুটবল টূর্ণামেন্ট অনুষ্ঠিত পোরশায় ঘুমন্ত অবস্থায় সাপের কামড়ে প্রাণ গেল তরুণের। পোরশায় বিএনপি নেতা মাইদুর খুনের মামলার আসামীদের চার্জশিট থেকে বাদ দেওয়ার প্রতিবাদে বিক্ষোভ। সাপাহারে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মাহমুদুল হাসানের উঠান বৈঠক ও সৌজন্য সাক্ষাৎ। আন্দোলন করে পরীক্ষা স্থগিত বা বিনা পরীক্ষায় পাশ এগুলো আমরা অ্যালাউ করবোনা : স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী পোরশায় উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে জুলাই শহিদ দিবস পালিত।

নওগাঁয় মৌসুমে নষ্ট হয় ৩০০ কোটি, টাকার আম শিল্পায়নের দাবি চাষিদের

  • প্রকাশের সময় : ০১:২৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ জুন ২০২৬
  • ১১২ পড়া হয়েছে

নওগাঁয় মৌসুমে নষ্ট হয় ৩০০ কোটি টাকার আম, শিল্পায়নের দাবি চাষিদের

 

দেশের অন্যতম আম উৎপাদনকারী জেলা নওগাঁ। গাছে গাছে এখন আমের সমারোহ, বাজারে আসার অপেক্ষায় জনপ্রিয় আম্রপালি। তবে ভালো ফলনের আশার মধ্যেও দুশ্চিন্তায় চাষিরা। উৎপাদন খরচ বৃদ্ধি, বাজারে সিন্ডিকেটের প্রভাব এবং প্রক্রিয়াজাত শিল্পের অভাবে প্রতিবছর ন্যায্যমূল্য থেকে বঞ্চিত হওয়ার পাশাপাশি নষ্ট হচ্ছে বিপুল পরিমাণ আম।

চাষিরা বলছেন, প্রতি বছর উৎপাদন খরচ ও শ্রমিকের মজুরি বাড়লেও মিলছে না কাঙ্ক্ষিত দাম। এছাড়া ফলন বেশি হলে ব্যবসায়ীরা সিন্ডিকেট করে বাজারে আমের দাম কমিয়ে দেন। ফলে ব্যবসায়ীদের কাছে জিম্মি হয়ে থাকতে হয়। নায্যমূল্য থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন কৃষকরা। অন্যদিকে বড় কোনো শিল্প প্রতিষ্ঠান না থাকায় মৌসুমে নষ্ট হচ্ছে প্রায় ৩০০-৪০০ কোটি টাকার আম।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য মতে, জেলায় চলতি মৌসুমে ৩০ হাজার ৩১০ হেক্টর জমিতে আমের চাষ হয়েছে। যা থেকে আম উৎপাদনের লক্ষ্য মাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৪ লাখ ৫০ হাজার মেট্রিক টন। গেল বছর জেলায় ৩০ হাজার ৩০০ হেক্টর জমিতে আমের চাষ হয়েছিল এবং যা থেকে উৎপাদন হয়েছিল ৩ লাখ ৭৫ হাজার মেট্রিক টন আম।

সাপাহার উপজেলার কুচকুড়িলিয়া গ্রামের আমচাষি রেদওয়ানুর রহমান মুন বলেন, আম্রপালি আম পাকা শুরু হলে ২৫-৩০ দিনের মধ্যেই তা শেষ হয়ে যায়। কৃষক চাইলেও তখন আর কোনোভাবে আম গাছে রাখতে পারে না। বাজারে আমের আমদানি বেশি হলে ব্যবসায়িরা সিন্ডিকেট করে আমের দাম কমিয়ে দেন। তখন কৃষকদের বাধ্য হয়ে কম দামে আম বিক্রি করতে হয়। এতে করে আমরা সাধারণ কৃষকরা লোকসানের মুখে পড়ি। বড় কোনো হিমাগার অথবা আম কেন্দ্রিক শিল্প প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠলে কৃষকরা লোকসানের হাত থেকে রক্ষা পাবে।

জনপ্রিয়

নিয়ামতপুরে গরুবোঝায় ভটভটি উল্টে নিহত ১, আহত ৫

নওগাঁয় মৌসুমে নষ্ট হয় ৩০০ কোটি, টাকার আম শিল্পায়নের দাবি চাষিদের

প্রকাশের সময় : ০১:২৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ জুন ২০২৬

নওগাঁয় মৌসুমে নষ্ট হয় ৩০০ কোটি টাকার আম, শিল্পায়নের দাবি চাষিদের

 

দেশের অন্যতম আম উৎপাদনকারী জেলা নওগাঁ। গাছে গাছে এখন আমের সমারোহ, বাজারে আসার অপেক্ষায় জনপ্রিয় আম্রপালি। তবে ভালো ফলনের আশার মধ্যেও দুশ্চিন্তায় চাষিরা। উৎপাদন খরচ বৃদ্ধি, বাজারে সিন্ডিকেটের প্রভাব এবং প্রক্রিয়াজাত শিল্পের অভাবে প্রতিবছর ন্যায্যমূল্য থেকে বঞ্চিত হওয়ার পাশাপাশি নষ্ট হচ্ছে বিপুল পরিমাণ আম।

চাষিরা বলছেন, প্রতি বছর উৎপাদন খরচ ও শ্রমিকের মজুরি বাড়লেও মিলছে না কাঙ্ক্ষিত দাম। এছাড়া ফলন বেশি হলে ব্যবসায়ীরা সিন্ডিকেট করে বাজারে আমের দাম কমিয়ে দেন। ফলে ব্যবসায়ীদের কাছে জিম্মি হয়ে থাকতে হয়। নায্যমূল্য থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন কৃষকরা। অন্যদিকে বড় কোনো শিল্প প্রতিষ্ঠান না থাকায় মৌসুমে নষ্ট হচ্ছে প্রায় ৩০০-৪০০ কোটি টাকার আম।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য মতে, জেলায় চলতি মৌসুমে ৩০ হাজার ৩১০ হেক্টর জমিতে আমের চাষ হয়েছে। যা থেকে আম উৎপাদনের লক্ষ্য মাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৪ লাখ ৫০ হাজার মেট্রিক টন। গেল বছর জেলায় ৩০ হাজার ৩০০ হেক্টর জমিতে আমের চাষ হয়েছিল এবং যা থেকে উৎপাদন হয়েছিল ৩ লাখ ৭৫ হাজার মেট্রিক টন আম।

সাপাহার উপজেলার কুচকুড়িলিয়া গ্রামের আমচাষি রেদওয়ানুর রহমান মুন বলেন, আম্রপালি আম পাকা শুরু হলে ২৫-৩০ দিনের মধ্যেই তা শেষ হয়ে যায়। কৃষক চাইলেও তখন আর কোনোভাবে আম গাছে রাখতে পারে না। বাজারে আমের আমদানি বেশি হলে ব্যবসায়িরা সিন্ডিকেট করে আমের দাম কমিয়ে দেন। তখন কৃষকদের বাধ্য হয়ে কম দামে আম বিক্রি করতে হয়। এতে করে আমরা সাধারণ কৃষকরা লোকসানের মুখে পড়ি। বড় কোনো হিমাগার অথবা আম কেন্দ্রিক শিল্প প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠলে কৃষকরা লোকসানের হাত থেকে রক্ষা পাবে।