, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
পোরশায় পূজার ছুটিতে বাড়ি আসার পথে গ্রামের রাস্তায় দস্যুতা : ২৪ ঘন্টায় ঘটনা শনাক্ত ও কুখ্যাত আন্তজেলা ডাকাত/দস্যু ০২ সদস্য গ্রেফতার পোরশায় নিতপুর ইউনিয়ন এ দূর্গা মন্দির পরিদর্শন করেন ১৬ বিজিবির অধিনায়ক আরিফুল ইসলাম মাসুম। দৈনিক কালবেলার ৪র্থ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে নওগাঁয় র‍্যালি ও আলোচনা সভা সাপাহারে মাধ্যমিক শিক্ষক কর্মচারী সমিতির নির্বাচন, সভাপতি রেজাউল,সাধারণ সম্পাদক আইনুল হক। পোরশায় বিজিবি কতৃক মাদক দ্রব্য হেরোইন উদ্ধার। https://www.facebook.com/share/p/1JAF5dLCK4/ মেসার্স মায়েরদোয়া ট্রেডার্স যোগাযোগ ০১৭৯০৯৭৯৩১১ পোরশায় শিশু অধিকার সপ্তাহ ২০২৬ উদযাপিত: বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী জিয়া সৈনিক দলের ৩০ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে এক আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত। সাপাহারে জমজমাট গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী হাত খেলা অনুষ্ঠিত পোরশায় আন্তর্জাতিক দুর্যোগ ও প্রশমন দিবস পালিত,এবং ভূমিকম্প ও অগ্নিকাণ্ড বিষয়ক মহড়া অনুষ্ঠিত

সাপাহারে জরাজীর্ণ মাটির মসজিদ সংস্কারের দাবী।

সাপাহারে জরাজীর্ন মাটির মসজিদ সংস্কারের দাবী

 

মনিরুল ইসলাম সাপাহার (নওগাঁ) প্রতিনিধি:

 

নওগাঁর সাপাহারে জরাজীর্ন অবস্থায় পড়ে আছে মাটির মসজিদ। উপজেলার শিমুলডাঙ্গা রামাশ্রম পুলেরপাড় এলাকায় দীর্ঘদিনের পুরোনো হয়ে পড়ে আছে। জানা গেছে এই মসজিদটিতে গ্রামের প্রায় ৩০টি পরিবার নিয়মিত পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করেন। তবে দীর্ঘদিন সংস্কার না হওয়ায় মসজিদের টিনের ছাউনি মরিচা ধরে নষ্ট হয়ে গেছে। যার ফলে সামান্য বৃষ্টি হলেই মসজিদের ভেতরে পানি পড়ায় নামাজ আদায়ে চরম ভোগান্তিতে পড়তে হয় মুসল্লিদের।

স্থানীয়রা জানান, মাটির তৈরি ছোট্ট এ মসজিদটির অবস্থা দীর্ঘদিন ধরেই নাজুক। কোনো রকমে টিনের ছাউনি দিয়ে মসজিদটি ব্যবহার করা হচ্ছে। বর্তমানে ছাউনির অধিকাংশ টিনে মরিচা ধরে ফুটো হয়ে গেছে। বৃষ্টির সময় মসজিদের ভেতরে পানি পড়ে যায়। এতে মুসল্লিদের নামাজ আদায় করতে নানা সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়।

এদিকে মসজিদটিতে আজান দেওয়ার জন্য কোনো মাইকের ব্যবস্থাও নেই। ফলে স্থানীয় মুসল্লিদের নিজ উদ্যোগেই আজান দিতে হয়। সীমিত সুযোগ-সুবিধার মধ্যেই দীর্ঘদিন ধরে মসজিদটিতে নামাজ আদায় করে আসছেন গ্রামের মানুষ।

একরামুল হোসেন, শরিফুল ইসলামসহ স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, এ গ্রামের অধিকাংশ মানুষই দরিদ্র। নিজেদের নিত্যদিনের প্রয়োজন মেটাতেই তাদের হিমশিম খেতে হয়। এ কারণে সম্মিলিতভাবে অর্থ সংগ্রহ করে মসজিদটির সংস্কার বা নতুন ভবন নির্মাণ করা তাদের পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না।

তারা আরও বলেন, দীর্ঘদিন ধরে মসজিদটি সংস্কারের প্রয়োজন হলেও আর্থিক সংকটের কারণে তা করা সম্ভব হয়নি। দ্রুত মসজিদটির টিনের ছাউনি সংস্কার, প্রয়োজনীয় মাইক স্থাপন এবং ভবনটি মেরামতের উদ্যোগ নেওয়া জরুরি।

স্থানীয় মুসল্লিরা মসজিদটির জরাজীর্ণ অবস্থা বিবেচনা করে স্থানীয় সংসদ সদস্য, উপজেলা প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সরাসরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। একই সঙ্গে সরকারি বা ব্যক্তিগত সহায়তায় মসজিদটি সংস্কার করে মুসল্লিদের নামাজ আদায়ের উপযোগী পরিবেশ নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন তারা।

জনপ্রিয়

পোরশায় পূজার ছুটিতে বাড়ি আসার পথে গ্রামের রাস্তায় দস্যুতা : ২৪ ঘন্টায় ঘটনা শনাক্ত ও কুখ্যাত আন্তজেলা ডাকাত/দস্যু ০২ সদস্য গ্রেফতার

সাপাহারে জরাজীর্ণ মাটির মসজিদ সংস্কারের দাবী।

প্রকাশের সময় : ১০:২৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৬

সাপাহারে জরাজীর্ন মাটির মসজিদ সংস্কারের দাবী

 

মনিরুল ইসলাম সাপাহার (নওগাঁ) প্রতিনিধি:

 

নওগাঁর সাপাহারে জরাজীর্ন অবস্থায় পড়ে আছে মাটির মসজিদ। উপজেলার শিমুলডাঙ্গা রামাশ্রম পুলেরপাড় এলাকায় দীর্ঘদিনের পুরোনো হয়ে পড়ে আছে। জানা গেছে এই মসজিদটিতে গ্রামের প্রায় ৩০টি পরিবার নিয়মিত পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করেন। তবে দীর্ঘদিন সংস্কার না হওয়ায় মসজিদের টিনের ছাউনি মরিচা ধরে নষ্ট হয়ে গেছে। যার ফলে সামান্য বৃষ্টি হলেই মসজিদের ভেতরে পানি পড়ায় নামাজ আদায়ে চরম ভোগান্তিতে পড়তে হয় মুসল্লিদের।

স্থানীয়রা জানান, মাটির তৈরি ছোট্ট এ মসজিদটির অবস্থা দীর্ঘদিন ধরেই নাজুক। কোনো রকমে টিনের ছাউনি দিয়ে মসজিদটি ব্যবহার করা হচ্ছে। বর্তমানে ছাউনির অধিকাংশ টিনে মরিচা ধরে ফুটো হয়ে গেছে। বৃষ্টির সময় মসজিদের ভেতরে পানি পড়ে যায়। এতে মুসল্লিদের নামাজ আদায় করতে নানা সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়।

এদিকে মসজিদটিতে আজান দেওয়ার জন্য কোনো মাইকের ব্যবস্থাও নেই। ফলে স্থানীয় মুসল্লিদের নিজ উদ্যোগেই আজান দিতে হয়। সীমিত সুযোগ-সুবিধার মধ্যেই দীর্ঘদিন ধরে মসজিদটিতে নামাজ আদায় করে আসছেন গ্রামের মানুষ।

একরামুল হোসেন, শরিফুল ইসলামসহ স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, এ গ্রামের অধিকাংশ মানুষই দরিদ্র। নিজেদের নিত্যদিনের প্রয়োজন মেটাতেই তাদের হিমশিম খেতে হয়। এ কারণে সম্মিলিতভাবে অর্থ সংগ্রহ করে মসজিদটির সংস্কার বা নতুন ভবন নির্মাণ করা তাদের পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না।

তারা আরও বলেন, দীর্ঘদিন ধরে মসজিদটি সংস্কারের প্রয়োজন হলেও আর্থিক সংকটের কারণে তা করা সম্ভব হয়নি। দ্রুত মসজিদটির টিনের ছাউনি সংস্কার, প্রয়োজনীয় মাইক স্থাপন এবং ভবনটি মেরামতের উদ্যোগ নেওয়া জরুরি।

স্থানীয় মুসল্লিরা মসজিদটির জরাজীর্ণ অবস্থা বিবেচনা করে স্থানীয় সংসদ সদস্য, উপজেলা প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সরাসরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। একই সঙ্গে সরকারি বা ব্যক্তিগত সহায়তায় মসজিদটি সংস্কার করে মুসল্লিদের নামাজ আদায়ের উপযোগী পরিবেশ নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন তারা।