, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
পোরশায় পূজার ছুটিতে বাড়ি আসার পথে গ্রামের রাস্তায় দস্যুতা : ২৪ ঘন্টায় ঘটনা শনাক্ত ও কুখ্যাত আন্তজেলা ডাকাত/দস্যু ০২ সদস্য গ্রেফতার পোরশায় নিতপুর ইউনিয়ন এ দূর্গা মন্দির পরিদর্শন করেন ১৬ বিজিবির অধিনায়ক আরিফুল ইসলাম মাসুম। দৈনিক কালবেলার ৪র্থ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে নওগাঁয় র‍্যালি ও আলোচনা সভা সাপাহারে মাধ্যমিক শিক্ষক কর্মচারী সমিতির নির্বাচন, সভাপতি রেজাউল,সাধারণ সম্পাদক আইনুল হক। পোরশায় বিজিবি কতৃক মাদক দ্রব্য হেরোইন উদ্ধার। https://www.facebook.com/share/p/1JAF5dLCK4/ মেসার্স মায়েরদোয়া ট্রেডার্স যোগাযোগ ০১৭৯০৯৭৯৩১১ পোরশায় শিশু অধিকার সপ্তাহ ২০২৬ উদযাপিত: বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী জিয়া সৈনিক দলের ৩০ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে এক আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত। সাপাহারে জমজমাট গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী হাত খেলা অনুষ্ঠিত পোরশায় আন্তর্জাতিক দুর্যোগ ও প্রশমন দিবস পালিত,এবং ভূমিকম্প ও অগ্নিকাণ্ড বিষয়ক মহড়া অনুষ্ঠিত

সাপাহারে বিষ প্রয়োগে মাছ নিধনের অভিযোগ, দেড় লাখ টাকার বেশি ক্ষতিসাধন।

  • প্রকাশের সময় : ০২:২৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬
  • ২০৭ পড়া হয়েছে

সাপাহারে বিষ প্রয়োগে মাছ নিধনের অভিযোগ,দেড় লাখের বেশি টাকার ক্ষতিসাধন

রুবেল ইসলাম বাদল
সাপাহার (নওগাঁ) প্রতিনিধি:

নওগাঁর সাপাহার উপজেলার ধবলডাঙ্গা গ্রামে লিজ নেওয়া একটি মাছের পুকুরে বিষ প্রয়োগ করে প্রায় ২০ মণ মাছ নিধনের অভিযোগ উঠেছে। এতে প্রায় ১ লাখ ৬০ হাজার টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছেন পুকুরের লিজগ্রহীতা। এ ঘটনায় প্রতিবেশী কয়েকজনের বিরুদ্ধে সাপাহার থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন তিনি।

অভিযোগকারী সাহেব উদ্দিন উপজেলার ধবলডাঙ্গা গ্রামের উসমান গণির ছেলে। তিনি জানান, একই গ্রামের নুরুল, মোদাচ্ছের, একরামুল ও জাইদুলের শরিকানাধীন ৬৫ শতক আয়তনের একটি পুকুর প্রায় তিন বছর আগে লিজ নিয়ে রুই, কাতলা, মৃগেলসহ বিভিন্ন দেশীয় প্রজাতির মাছ চাষ করে আসছেন তিনি।

সাহেব উদ্দিনের লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ২৮ জুলাই মঙ্গলবার রাত আনুমানিক ১১টার দিকে পূর্বশত্রুতার জের ধরে কয়েকজন ব্যক্তি পুকুরে কীটনাশক (বিষ) প্রয়োগ করেন। পরদিন সকালে পুকুরে গিয়ে তিনি পানিতে বিপুলসংখ্যক মাছ ভাসতে দেখেন। পরে পুকুরে প্রায় ২০ মণ মাছ মারা যাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত হন। এতে আনুমানিক ১ লাখ ৬০ হাজার টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

অভিযোগকারী আরও জানান, ঘটনার আগের রাতে দোকানের বকেয়া টাকা নিয়ে একই গ্রামের ইব্রাহিম হোসেনের সঙ্গে তার কথা-কাটাকাটি ও বিরোধ হয়। ওই বিরোধের জের ধরে পুকুরে বিষ প্রয়োগ করা হয়ে থাকতে পারে বলে তিনি সন্দেহ করছেন। এ ঘটনায় তিনি আনোয়ারুল ইসলাম, রুবেল ও ইব্রাহিম হোসেনসহ অজ্ঞাতনামা আরও ৫ থেকে ৭ জনকে অভিযুক্ত করে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

তবে পুকুরে বিষ প্রয়োগের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত ইব্রাহিম হোসেনের বাবা আনোয়ারুল ইসলাম। তিনি বলেন, “দোকানের বাকি টাকা নিয়ে আমার ছেলের সঙ্গে তাদের কথা-কাটাকাটি হয়েছিল। পরে আমার ছেলে সাপাহার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি ছিল। পুকুরে বিষ প্রয়োগের ঘটনার সঙ্গে আমার ছেলে বা আমাদের পরিবারের কোনো সম্পৃক্ততা নেই।”

এ বিষয়ে সাপাহার থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মিজানুর রহমান বলেন, “এ ঘটনায় লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। পুকুরে বিষ প্রয়োগের অভিযোগের সত্যতা ও ঘটনার সঙ্গে কারা জড়িত, তা তদন্তের পরই নিশ্চিত হওয়া যাবে।

জনপ্রিয়

পোরশায় পূজার ছুটিতে বাড়ি আসার পথে গ্রামের রাস্তায় দস্যুতা : ২৪ ঘন্টায় ঘটনা শনাক্ত ও কুখ্যাত আন্তজেলা ডাকাত/দস্যু ০২ সদস্য গ্রেফতার

সাপাহারে বিষ প্রয়োগে মাছ নিধনের অভিযোগ, দেড় লাখ টাকার বেশি ক্ষতিসাধন।

প্রকাশের সময় : ০২:২৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬

সাপাহারে বিষ প্রয়োগে মাছ নিধনের অভিযোগ,দেড় লাখের বেশি টাকার ক্ষতিসাধন

রুবেল ইসলাম বাদল
সাপাহার (নওগাঁ) প্রতিনিধি:

নওগাঁর সাপাহার উপজেলার ধবলডাঙ্গা গ্রামে লিজ নেওয়া একটি মাছের পুকুরে বিষ প্রয়োগ করে প্রায় ২০ মণ মাছ নিধনের অভিযোগ উঠেছে। এতে প্রায় ১ লাখ ৬০ হাজার টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছেন পুকুরের লিজগ্রহীতা। এ ঘটনায় প্রতিবেশী কয়েকজনের বিরুদ্ধে সাপাহার থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন তিনি।

অভিযোগকারী সাহেব উদ্দিন উপজেলার ধবলডাঙ্গা গ্রামের উসমান গণির ছেলে। তিনি জানান, একই গ্রামের নুরুল, মোদাচ্ছের, একরামুল ও জাইদুলের শরিকানাধীন ৬৫ শতক আয়তনের একটি পুকুর প্রায় তিন বছর আগে লিজ নিয়ে রুই, কাতলা, মৃগেলসহ বিভিন্ন দেশীয় প্রজাতির মাছ চাষ করে আসছেন তিনি।

সাহেব উদ্দিনের লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ২৮ জুলাই মঙ্গলবার রাত আনুমানিক ১১টার দিকে পূর্বশত্রুতার জের ধরে কয়েকজন ব্যক্তি পুকুরে কীটনাশক (বিষ) প্রয়োগ করেন। পরদিন সকালে পুকুরে গিয়ে তিনি পানিতে বিপুলসংখ্যক মাছ ভাসতে দেখেন। পরে পুকুরে প্রায় ২০ মণ মাছ মারা যাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত হন। এতে আনুমানিক ১ লাখ ৬০ হাজার টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

অভিযোগকারী আরও জানান, ঘটনার আগের রাতে দোকানের বকেয়া টাকা নিয়ে একই গ্রামের ইব্রাহিম হোসেনের সঙ্গে তার কথা-কাটাকাটি ও বিরোধ হয়। ওই বিরোধের জের ধরে পুকুরে বিষ প্রয়োগ করা হয়ে থাকতে পারে বলে তিনি সন্দেহ করছেন। এ ঘটনায় তিনি আনোয়ারুল ইসলাম, রুবেল ও ইব্রাহিম হোসেনসহ অজ্ঞাতনামা আরও ৫ থেকে ৭ জনকে অভিযুক্ত করে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

তবে পুকুরে বিষ প্রয়োগের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত ইব্রাহিম হোসেনের বাবা আনোয়ারুল ইসলাম। তিনি বলেন, “দোকানের বাকি টাকা নিয়ে আমার ছেলের সঙ্গে তাদের কথা-কাটাকাটি হয়েছিল। পরে আমার ছেলে সাপাহার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি ছিল। পুকুরে বিষ প্রয়োগের ঘটনার সঙ্গে আমার ছেলে বা আমাদের পরিবারের কোনো সম্পৃক্ততা নেই।”

এ বিষয়ে সাপাহার থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মিজানুর রহমান বলেন, “এ ঘটনায় লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। পুকুরে বিষ প্রয়োগের অভিযোগের সত্যতা ও ঘটনার সঙ্গে কারা জড়িত, তা তদন্তের পরই নিশ্চিত হওয়া যাবে।